দেশনিউজ

ত্রিপুরা পৌঁছে গেলেন সুস্মিতা, বিজেপি ছাড়ার হিড়িক গেরুয়া শাসিত রাজ্যে

সুস্মিতা দেবের আগমনে কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিজেপি?



আগামী ২০২৩ সালে ত্রিপুরা রাজ্যে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই ত্রিপুরায় মানুষ এর মন জয় করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে শুধু ত্রিপুরা না, বরং উত্তর পূর্বের ৭টি রাজ্যেই সংগঠন বৃদ্ধি করার জন্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এই সংগঠন বৃদ্ধির কাজে তাদের মূল তুরুপের তাস হতে চলেছেন সুস্মিতা দেব। সম্প্রতি তৃণমূলে যোগদান করার সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের সংগঠন বৃদ্ধির লক্ষে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

ইতিমধ্যেই রবিবার ত্রিপুরা চলে গেছেন তিনি। তার যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্রিপুরায় তৃণমূলে যোগদানের রীতিমত হিড়িক লেগে গেছে। উত্তর পূর্ব ভারতের জমি শক্ত করতে মূলত বাঙালি ভোটকেই কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল। আর এই ক্ষেত্রে তাদের মূল তুরুপের তাস এই বাঙালি সুস্মিতা দেব। সদ্য কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগদান করেছেন এই নেত্রী। আর তারপর থেকেই সংগঠনের বড় মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।

সম্প্রতি তৃণমূল নেতা সুখেন্দু শেখর রায় বলেছেন, বিজেপি আমাদের ত্রিপুরায় ফুটবল খেলতে দেয়নি, কিন্তু যদি আমরা আসল খেলা শুরু করে দিই তাহলে ওরা পুরো দিশেহারা হয়ে যাবে। উত্তর পূর্ব আমাদের হাতে আসবে। সেখানে আমাদের চমক দেখবেন সকলে। যদিও ত্রিপুরায় তৃণমূল এর মুখ করা হোক, এই দাবি নিয়ে অনেকেই সুস্মিতা দেবের সঙ্গে আছেন। উত্তর পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত নামজাদা একজন নেত্রী এই সুস্মিতা দেব। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রেও তার বেশ পরিচিতি আছে। কংগ্রেসে যখন ছিলেন, তখনও তার বেশ পরিচিতি ছিল। পাশাপাশি দীর্ঘদিন মহিলা কংগ্রেসের সভাপতির পদ সামলানোর সুবাদে তিনি মহিলাদের মধ্যেও একটি জনপ্রিয় নাম। তাই এবারে ত্রিপুরা বিজয়ের জন্যই এরকম একজন হাই প্রোফাইল নেত্রীর দিকেই তাকিয়ে আছেন সকলে। তিনি যে একজন দমদার নেত্রী সেটা তিনি আগে থেকেই দেখানো শুরু করে দিয়েছেন। তিনি তৃণমূলে আসার সঙ্গে সঙ্গেই অসময়ে অনেকেই কংগ্রেস ছাড়তে শুরু করেছেন। আর সেই একই খেলা তিনি শুরু করেছেন ত্রিপুরার ক্ষেত্রেও।

যদিও বিজেপি শিবিরের কাছে এই বিষয়টি বেশ চাপের। এইভাবে যদি দল ছাড়ার সমস্যা শুরু হয়, তাহলে বিজেপির ক্ষেত্রে ত্রিপুরায় টিকে থাকা বেশ সমস্যার হবে। এই কারণে ইতিমধ্যেই ত্রিপুরার জন্য আলাদা ভাবনা আনতে শুরু করেছে বিজেপি। সূত্রের খবর খুব শীঘ্রই, ত্রিপুরায় প্রচারে আসবেন দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতারা। তার ফলে বোঝাই যাচ্ছে, তৃণমূলকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছেনা বিজেপি।

Related Articles

Back to top button