বিনোদন

মাদককাণ্ডে করাদে ঠিক ২৬ দিন থাকার পর জামিন পেলেন ঢালিউড অভিনেত্রী পরীমনি!



স্মৃতি শামসুন্নাহার, যিনি পরীমনি নামে অধিক পরিচিত দুই বাংলাতে। একদিকে বাংলাদেশী মডেল ও অভিনেত্রী দুই হিসেবে বেশ খ্যাত। তবে বেশ কিছুদিন ধরে মাদক মামলার জেরে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। অনেক নাটকীয়তার পর জামিন পেলেন অভিনেত্রী পরীমনি। চার বার নিম্ন আদালতে পরীণির জামিন নাকচ হবার পর শেষ পর্যন্ত তিনি জামিন পেলেন। বুধবার সকালে ২৬ দিন করাদ থেকে মুক্তি পান পরীমনি।

অবশেষে পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশে জামিন শুনানির নির্ধারিত সময় ১৩ দিন এগিয়ে পরীমনিকে জামিন দিলেন ঢাকার মহানগর ও দায়রা জজ আদালত। মঙ্গলবার মহানগর দায়রা বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ পরীমনির জামিনের নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বাংলাদেশের এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২০ হাজার টাকার পুলিশ প্রতিবেদন বা অভিযোগপত্র না হওয়া পর্যন্ত পরীমনিকে জামিন দেয়া হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় করাদ থেকে বেরিয়ে আসেন পরীমনি। এই দিন পরীমনির পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট। আর সাদা ওড়না মাথায় বাঁধা ছিল। চোখে কালো চশমা, আর করোনা বিধি মেনে মাস্কটাও ছিল সাদা রঙের। চোখে ছিল কালো সানগ্লাস। এই দিন গাড়ির সানরুফ দিয়ে মাথা বের করে অপেক্ষরত সাংবাদিক ও অনুগামীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে সামনের দিকে এগিয়ে যান পরীমনি।

গত ২২ অগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে পরীমনির জামিন আবেদন করেছিলেন তাঁর আইনজীবী মজিবুর রহমান। তখন আদালত শুনানির জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন পিছিয়ে দিয়েছিলেন। পরে তার আইনজীবীরা এ নিয়ে পালটা হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর পর জামিন শুনানির দিন এগিয়ে ৩১ অগস্ট ধার্য কর দেওয়া হয়। মঙ্গলবার জামিন পান অভিনেত্রী।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপার হালিমা খাতুন এক সংবাদমাধ্যমে বলেন, মঙ্গলবার পরীমনির জামিন হলেও সঠিক সময়ে জামিনের কাগজ কারাগারে এসে না পৌঁছানোতে সেদিন তাঁকে আর মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। বুধবার সকালে অভিনেত্রীর জামিনের কাগজ যাচাই করে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,গত ৪ঠা অগস্ট এই বিখ্যাত অভিনেত্রী পরীমণির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রচুর পরিমাণে বিদেশি মদ উদ্ধার করেন বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন। শুধু বিদেশি মদ নয় পাশাপাশি একাধিক মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয় তাঁর বাড়ি থেকে। এর পরেই পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয় পরীমণিকে। অভিনেত্রীর গ্রেফতারির পর তিন দফায় সিআইডি হেফাজতে জেরার মুখে পড়েছেন তিনি। কিন্তু তিন দফায় জামিনের আর্জি না-মঞ্জুর করেছিল ঢাকার মহানগর ও দায়রা জজ আদালত।
 

Related Articles

Back to top button