Today Trending Newsনিউজপলিটিক্সরাজ্য

‘বিনামূল্যে রেশন পেতে ঘাসফুল চিহ্নে ভোট দিন’, বিষ্ণুপুর সভা থেকে আহ্বান মমতার

বাংলার পরিবার জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কোন ভেদাভেদ করে না বলে জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

×
Advertisement

একুশে বাংলা বিধানসভার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে তত রাজ্যজুড়ে বাড়ছে রাজনৈতিক প্রচারের ঝড়। কোন রাজনৈতিক দল, অন্য রাজনৈতিক দলকে এক ইঞ্চি জমি ছেড়ে দিতে চায় না। আজ অর্থাৎ বুধবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারো বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে একটি জনসভায় উপস্থিত হয়েছেন। সেই জনসভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছেন এবং ভবিষ্যতে তৃণমূল জিতলে বাংলার মানুষের জন্য কি করবে, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন। সেইসাথে তিনি বিজেপি প্রতিশ্রুতির তীব্র সমালোচনা করেছেন। আসলে এখন প্রায় প্রতিনিয়ত অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের লড়াইয়ে সরগরম হয়ে রয়েছে বঙ্গ রাজনীতি।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত থেকে বলেছেন, “আমাদের বাংলার পরিবারের সব জাতি-ধর্ম-বর্ণের মানুষ রয়েছে। আমি সবাইকে ভালবাসি। আমার সাথে একজন মেয়ে থাকে যে বাউরি সম্প্রদায়ের। আমি ব্রাহ্মণ হয়েও কখনো ভেদাভেদ করিনি। মেয়েটি সারাদিন আমার সাথে ঘুরে, থাকে, খায় সবকিছু করে। আমি নিজে ৫ তপশিলি পরিবারের মেয়েকে লালন পালন করেছি। তাদের বিয়ে দিয়েছি। এমনকি তাদের বরের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আর বিজেপি আজকে আমাকে শেখাতে এসেছে। বিজেপি আমায় কি শেখাবে?” সেই সাথে তিনি জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের কাজের খতিয়ার তুলে ধরেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী জনসভায় উপস্থিত বাংলার মা-বোনেদের সম্মোধন করে বলেছেন যে আপনাদের সারাদিন নিরলস পরিশ্রম করতে হয়। পরিশ্রম করে যা টাকা আসে সবই পরিবারকে দিয়ে দিতে হয়। নিজেদের হাত খরচার জন্য কিছু থাকে না। তাই এবার তৃণমূল জিতলে আপনাদের প্রতিমাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়াও তিনি বলেছেন, “বাংলায় আগামী দিনে বিনামূল্যে রেশন পেতে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিন। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই আপনারা বিনামূল্যে খাবার পাবেন। বাংলার ২৯৪ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২৯১ টি আসনে লড়াই করছে। ২৯১ আসনে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে জয়যুক্ত করুন। তাহলে আপনার দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাবে বিনামূল্যের রেশন। এটা কোনো মিথ্যা প্রতিশ্রুতি না। এত দিন যখন বিনামূল্যে খাবার দিতে পেরেছি তখন আগামী দিনেও দিতে পারব।”

Advertisement

Related Articles

Back to top button