বিনোদন

Pori Moni: বুধবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে উপস্থিত হলেন পরীমনি, হাতে লিখলেন ‘ মি মোর’

স্মৃতি শামসুন্নাহার, যিনি পরীমনি নামে অধিক পরিচিত দুই বাংলাতে। বেশ কিছুদিন ধরে এই ঢালিউড অভিনেত্রী নানান বিতর্কে নাম উঠেএসেছে। গত মাসের ৪ তারিখে ঢাকার বনানী এলাকার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে পরীমণিকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশের পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এ মামলায় পরীমনিকে প্রথমে চার দিন, দ্বিতীয় দফায় দু’দিন এবং তৃতীয় দফায় একদিন-সহ মোট সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড বাড়াতেই জজ আদালতে নিজের জামিনের আবেদন করেন পরীমনি। সেখানেও শুনানির তারিখ দেরিতে নির্ধারণ করায় হাইকোর্টে আবেদন করেন তিনি। যদিও পরে জজ আদালত থেকে মামলার তারিখ এগিয়ে নিয়ে আসা হয়। ৩১ আগস্ট অভিনেত্রীর জামিন ধার্য হয়। টানা ২৭ দিন জেলে থাকার পরে, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে ছাড়া পান এই অভিনেত্রী।

১৫ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ আজ আদালতে ফের হাজিরা দিতে এসেছিলেন বাংলাদেশের এই বিখ্যাত নায়িকা। বুধবার সকাল সকাল হাইকোর্টে উপস্থিত হন পরীমনি। তবে বেলা ১২টা অবধি তিনি গাড়ির মধ্যে বসেই নিজের উকিলের জন্য অপেক্ষা করেন। অন্যদিকে সেলিব্রেটিকে একঝলক দেখার উৎসাহে জনতার ভিড়ে ভরে যায় আদালত চত্বর। পরে পুলিশি নিরাপত্তার সঙ্গে পরীমনিকে নিয়ে যাওয়া হয় আদালতের ভিতরে। এই দিন আদালত চত্বরে নিজের অনুগামীদের হাত উঁচিয়ে অভিবাদন জানান। 

এ সময় তার হাতে মেহেন্দীতে লেখা একটি বার্তা নজর কাড়ে উপস্থিত সবার। তবে এই লেখা দেখে অনেকে হতবাজ। তাঁর হাতে লেখা রয়েছে—‘… মি মোর’। মধ্যাঙ্গুল উঁচিয়ে বিশেষ এই বার্তা পরী কার উদ্দেশে দিয়েছেন, কেন দিয়েছেন, তা স্পষ্ট অবধ্য নয়। তবে ধারণা করা করছেন নিন্দুকের জন্যই তার এমন কড়া বার্তা। 

এইদিন হাইকোর্ট কেন শেষ দফা রিমান্ডে নেওয়া হল সে ব্যপারে পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দুই বিচারক দেবব্রত বিশ্বাস ও আতিকুল ইসলামের কাছে। তবে তাতে সন্তুষ্ট হয়নি হাইকোর্ট। এই মামলার জট আজ ও কাটেনি।পরবর্তী শুনানি ২৯ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা অফিসার গোলাম মোস্তাফাকে নিজের অবস্থান ও কারণ ব্যাখ্যা করতে বুধবার আদালতে উপস্থিত হয়ে ছিলেন।

অন্য দিকে, এই দিন পরীমনির তরফে আবেদন করা হয় তাঁর বাড়ি থেকে আটক করা কাগজ, ফোন, আইপ্যাড ও গাড়ি যেন তাঁকে তাড়াতাড়ি ফেরত দেওয়া হয়। নায়িকার দাবি, নিজের গাড়ি না থাকায় তিনি নানান সমস্যায় পড়েছেন। তিনি আরো জানান, গাড়ির সব দরকারি কাগজ গাড়ির মধ্যেই রাখা ছিল। তাই আদালতকে দেওয়ার মতো প্রমাণও তাঁর কাছে নেই।

Related Articles

Back to top button