Today Trending Newsনিউজপলিটিক্সরাজ্য

Live Update: দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে বিকেল ৫ টার মধ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৪৩ শতাংশ

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে ৪ জেলার ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলবে

×
Advertisement

আজ মহাযুদ্ধ বাংলায়। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম সহ ৪ জেলার ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলবে। দ্বিতীয় দফায় ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট বুথের সংখ্যা ১০২২০। ভোটার সংখ্যা ৭৫৯৪৫৪৯। পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৩৭১৩৫০৮। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩৭১৩৫০৮। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার সংখ্যা ৮৬। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে হবে। দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে মোট আসনের সংখ্যা ৩০ টি যার মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরে আছে ৯ টি, পূর্ব মেদিনীপুরে আছে ৯ টি, বাঁকুড়ায় ৮ টি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৪ টি। তারইমধ্যে আজকের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি হাইভোল্টেজ লড়াই হতে চলেছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং গেরুয়া সৈনিক শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে। দুই মহারথীর মহাযুদ্ধ সরগরম করে রেখেছে গোটা বঙ্গ রাজনীতিকে।

Advertisement

বিকেল ৫:৩০: দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে বিকেল ৫ টা অব্দি মোট ভোট পড়েছে ৮০.৪৩ শতাংশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোট পড়েছে ৭৯.৬৫ শতাংশ। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের ভোটের পরিমাণ যথাক্রমে ৮১.২৩ ও ৭৮.০২ শতাংশ। বাঁকুড়ায় ভোট পড়েছে ৮২.৯২ শতাংশ। অন্যদিকে শুধুমাত্র নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৮০.৭৯ শতাংশ।

বেলা ৪:৪৫: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়াল ছাড়ার পর সেই ভোটকেন্দ্রে এলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সরাসরি হাসিমুখে জানিয়ে দিয়েছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাবে।” এছাড়াও তিনি তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Advertisement

বেলা ৪:২৫: বয়াল ভোটকেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “যিনি বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়েছে যে তাণ্ডব চালাচ্ছে। আবু সুফিয়ানের বাড়িতে সকালবেলা হামলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে ৬৩ অভিযোগ জমা পড়ার পর কোন লাভ হয়নি। তবে আমি নন্দীগ্রামে জেতা নিয়ে চিন্তিত নয়। আমি চিন্তিত গণতন্ত্র নিয়ে। নন্দীগ্রামে আমি জিতব। ভোট দিতে দেওয়া হয়নি আজ সকাল থেকে। আর বয়ালে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে।”

বেলা ৪:০০: কেশপুরে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ির ওপর লাঠি রড ও ইঁট দিয়ে হামলা চালিয়েছিল একদল বিক্ষোভকারী। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল গাড়ি ঘিরে ধরে হামলা চালিয়েছিল। এই ঘটনার রিপোর্ট তলব হয়েছে নির্বাচন কমিশনে।

বেলা ৩:৪০: আটকে থাকার দু’ঘণ্টা পর বয়াল থেকে বার করে আনা হয়েছে মমতাকে।

বেলা ৩:২০: বয়াল এখনো শান্ত হয়নি। দেড় ঘণ্টা পরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অক্ষম। বুথের ভেতরেই এখনো আটকে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন নন্দীগ্রাম থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী।

বেলা ৩:০০: নন্দীগ্রাম বয়ালে রণক্ষেত্র পরিস্থিতির ঘটনা সম্পর্কে উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জন্য রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক কার্যালয়ে ফোন করে বিস্তারিত জেনেছেন।

বেলা ২:২০: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ জানিয়েছেন যে বহিরাগতরা এসে সকাল থেকে এই ভোট কেন্দ্রে ছাপ্পা ভোট দিচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৬৩ টি অভিযোগ জমা পড়লেও পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এই অবিচারের বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেস আদালতে যাবে। এছাড়াও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনা সম্পর্কে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর এর সাথে আলোচনা করেছেন।

পবেলা ২:১০: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর গাড়ি ঘিরে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়েছে বিজেপি সমর্থকরা। এর জেরে তৃণমূল বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে তুমুল দ্বন্দ্ব বেঁধে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে রাফ বাহিনী নেমে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী বর্তমানে ভোট কেন্দ্রের ভেতরে বসে আছেন।

বেলা ২:০০: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বয়ালের ৭ নম্বর বুথকেন্দ্রে পৌঁছাতেই তৃণমূল সমর্থকরা দিদিকে জানিয়েছে সকাল থেকেই ব্যাপক ছাপ্পা ভোট পড়ছে।

বেলা ১:৪৫: নন্দীগ্রামে বিক্ষিপ্ত অশান্তির জেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার নন্দীগ্রামের বাড়ি থেকে বয়াল ভোট কেন্দ্রে এসে পৌঁছেছেন।

সকাল ১১:৩০: খড়গপুর সদরের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ সরকার দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের প্রভাবিত করছে এবং প্রার্থীকে বুথে ঢুকতে দিচ্ছে না। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের এক ব্যক্তি অভিযোগ জানিয়েছেন যে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাড়ি এসে হুমকি দিয়ে গেছে। অবশ্য সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী জানিয়েছে বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে জমায়েত হয়েছিল বলে তাদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে।

সকাল ১০:৫০: বাঁকুড়ার ইন্দাসে ক্লাবঘরে বেআইনি জমায়েত দেখে কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠি উঁচিয়ে উপস্থিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে।

সকাল ১০:৪৫: অন্যদিকে বিজেপি তারকা প্রার্থী হিরণ চক্রবর্তির বিরুদ্ধেও নির্বাচনী নিয়মাবলী লংঘন করার অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের অভিযোগ যে খড়গপুর সদর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চক্রবর্তী দলীয় প্রতীক নিয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ করেছে। আর তা দেখেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

সকাল ১০:৪০: তৃণমূল কংগ্রেস তারকা প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ যে সায়ন্তিকা কাউকে টাকা দিচ্ছে বা কাউকে আশীর্বাদ চাইছে যা সম্পূর্ণ নীতিবিরুদ্ধ। অবশ্য তৃণমূলের দাবি যে তাদের তারকা প্রার্থী মন্দিরের বাইরে দুস্থ মানুষকে সাহায্য করেছে।

সকাল ১০:৩৫: শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন কমিশনের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেছেন, “আমি ভোট নিয়ে খুশি। সুস্থ ভোট হোক। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী ভালো কাজ করছে।”

সকাল ১০:৩০: নন্দীগ্রামের বয়েলের শম্ভুনাথ স্কুলের ৬ নম্বর বুথ দখল করে নিয়েছে বিজেপি।

সকাল ৯:৫০: দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে প্রথম দুই ঘন্টায় অর্থাৎ সকাল ৯ টা অব্দি ভোটদানের হার ১৬ শতাংশ।

সকাল ৯:৪০: পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরায় বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ হয় যার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে।

সকাল ৯:৩০: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের শুরুতে টুইট করেছেন। টুইট করে তিনি বলেছেন, “বাংলায় পরিবর্তন নিশ্চয়ই আসবে। নিরাপদ ও সমৃদ্ধশালী বাংলা গড়তে সবাই ভোট দিন।” এছাড়াও তিনি বঙ্গবাসীর কাছে বৃহৎ সংখ্যায় ভোটদানের আবেদন জানিয়েছেন।

 

সকাল ৮:৫৫: বাইকে চড়ে ভোটদান করতে গেলেন নন্দীগ্রামের বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই তার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। তিনি এই প্রথমবার নন্দীগ্রামের ভোটার হয়ে ভোট দিলেন।

সকাল ৮:৫০: ভোট দিয়েছেন নন্দীগ্রাম সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ভোটদানের পর তিনি জানিয়েছেন, “যে কটা জায়গায় গিয়েছি সেখানে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে সব জায়গায়। গত দু’দিন ধরে বুঝতে পারছি যে মানুষ এবার স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে ভোট দিচ্ছে।”

সকাল ৮:৪০: সবং এ সকাল সকাল তৃণমূল-বিজেপি দ্বন্দ্ব বেধেছে। দ্বন্দ্বের চোটে মাথা ফেটেছে এক তৃণমূল কর্মীর।

সকাল ৮:৩০: ইতিমধ্যেই ভোটযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। আজ মোট ৩০ বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে। আজকের দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী সহ ১৭১ প্রার্থীর ভাগ্য নির্বাচন হবে।

Related Articles

Back to top button