দেশনিউজ

ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, ফের দেশব্যাপী জুড়ে জারি হবে লকডাউন?

গতবছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কিছুটা পিছিয়ে দিতে লকডাউন সাহায্য করেছিল বলেই মতামত বিশেষজ্ঞদের

×
Advertisement

ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। ভারতের এই ঊর্ধ্বমুখী করোনা গ্রাফ দেখার পর অনেকেই মনে করছেন আবারো ভারতের লকডাউন এর পরিস্থিতি আসতে চলেছে। তবে সত্যিই কি ভারতে আবার লকডাউন হচ্ছে? বিগত কয়েকদিনে কিন্তু করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা হুহু করে বেড়ে চলেছে ভারতে। ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র সহ বেশ কিছু জায়গায় হালকা করে লকডাউন ডাকা শুরু হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে বলেছেন, বর্তমানে করোনাভাইরাস আটকানোর একটাই রাস্তা হল সচেতনতা বজায় রাখা।

Advertisement

কিন্তু মহারাষ্ট্র সহ বেশকিছু জায়গাতেই কোনরকম করোনা সতর্কতা বিধি মানা হচ্ছে না। এমত পরিস্থিতিতে, আদৌ কি এভাবে সচেতনতা বজায় রেখে করণা আটকানো সম্ভব? নাকি এবারে হালকা নয় সরাসরি লকডাউন ডাকতে হবে সারাদেশে? সকলের মনে বর্তমানে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। কিন্তু সবার আগে বোঝা দরকার, লকডাউন কি করোনা পরিস্থিতি আটকাতে খুব একটা বেশি ভালো কাজ করে?

গত বছর দেখা গিয়েছিল যখন মার্চ মাস নাগাদ করোনাভাইরাস এর প্রভাব আস্তে আস্তে শুরু হয়, তারপর থেকে লকডাউন ডাকা শুরু হয়েছিল। কিন্তু লকডাউন শেষ হবার পরে দ্রুতগতিতে করনা ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। হয়তো এই সংক্রমণ মাস কয়েকের জন্য ঠেকান গিয়েছিল, কিন্তু সংক্রমণ যে রোধ পেয়েছে, সেটা কিন্তু খুব একটা না। এই সংক্রমণ কয়েক মাসের জন্য পিছিয়ে দেওয়া গেছিল। এবং সেই কারণে ভারতের চিকিৎসা ব্যবস্থা কিছুটা সময় পেয়েছিল।

Advertisement

যদি ভারতে লকডাউন না ডাকা হতো তাহলে সেপ্টেম্বর মাসে যে করোনাভাইরাস এর গ্রাফ সবথেকে উপরে উঠেছিল তা অনেক আগেই উঠে যেত। বিশেষজ্ঞরা জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সামলানোর জন্য লকডাউন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল গত বছর। তার ফলে ভারতে চিকিৎসা ব্যবস্থা বেশ কিছুটা সময় পেয়েছিল এই নতুন রোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য। কিন্তু এইবারে আর তেমনটা না, এইবারে কিন্তু হালকা লকডাউন এর সঙ্গে, আইসোলেশন, টেস্টিং এবং টিকাকরণ তিনটি করতেই হবে। যদি তেমনটা না করা হয়, তাহলে কিন্তু ভারতে করোনা সংক্রমণ ঠেকান একেবারেই সম্ভব হবে না।

Related Articles

Back to top button