প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রেলের খাতায় নতুন ইতিহাস— বাংলার প্রথম এসি লোকাল ট্রেন নামল ট্র্যাকে। শিয়ালদা থেকে রানাঘাট রুটে শুরু হয়েছে এই বিশেষ পরিষেবা। যাত্রীরা বলছেন, এই ট্রেনে চড়লেই মিলছে ‘বন্দে ভারত’ এক্সপ্রেসের অনুভূতি। শুরু থেকেই বিপুল সাড়া ফেলেছে এই ট্রেন। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এবার সামনে এল আরও বড় আপডেট।
প্রথম দিনে যদিও শিয়ালদা–কৃষ্ণনগর রুটে নামানোর পরিকল্পনা ছিল, শেষ মুহূর্তে তা বদলে যায়। এর ফলে হতাশ হয়েছেন বহু যাত্রী। তবু এখন আলোচনায় এসেছে এক নতুন প্রস্তাব। যদি রাজ্য সরকার সাহায্যের হাত বাড়ায়, তবে শিয়ালদা থেকে সরাসরি নবদ্বীপ ঘাট হয়ে কৃষ্ণনগর পর্যন্ত এই এসি লোকাল চলতে পারে। এর ফলে সোজা পৌঁছে যাওয়া যাবে ইস্কন মন্দিরে।
সব খবর মোবাইলে পেতে 👉🏻
Join Nowবিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এই প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, তিনি শিগগিরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি দেবেন। তাঁর দাবি, শান্তিপুর থেকে কৃষ্ণনগর হয়ে নবদ্বীপ ঘাট পর্যন্ত এসি লোকাল চালানো হলে উপকৃত হবেন বহু সাধারণ মানুষ এবং বিদেশি ভক্তরা। তিনি আরও বলেছেন, নবদ্বীপ ঘাটে পৌঁছনোর জন্য নদীর উপর একটি ছোট ব্রিজ নির্মাণ অপরিহার্য। সেই সঙ্গে রেলের দখলদারি জমি উচ্ছেদেও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে দাবি সাংসদের।
এখন প্রশ্ন উঠছে, রাজ্য কি সত্যিই এই উদ্যোগে সহযোগিতা করবে? কারণ বাস্তবায়ন হলে হাজার হাজার ভক্ত সহজেই ইস্কন মন্দিরে পৌঁছতে পারবেন। পাশাপাশি কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপ অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও আসবে আমূল পরিবর্তন।