Trending

Video

Shorts

whatsapp [#128] Created with Sketch.

Join

Follow

8th Pay Commission: অষ্টম বেতন কমিশন ঘিরে আশার আলো, বাড়তে পারে ৩৪% পর্যন্ত বেতন

২০২৬ সাল নতুন আশা নিয়ে আসতে চলেছে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য। অষ্টম বেতন কমিশনের সম্ভাব্য কার্যকারিতা ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জোর আলোচনা। অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হলে…

Avatar

২০২৬ সাল নতুন আশা নিয়ে আসতে চলেছে লক্ষ লক্ষ সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য। অষ্টম বেতন কমিশনের সম্ভাব্য কার্যকারিতা ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে জোর আলোচনা।

অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হলে কতটা পরিবর্তন আসবে সরকারি চাকরিতে?

সরকারি বেতনের কাঠামোতে বড়সড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা জেগেছে অষ্টম বেতন কমিশনের ঘোষণার পর। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে, কমিশনটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হতে পারে। এতে সরাসরি উপকৃত হবেন প্রায় ১.১ কোটি কর্মচারী ও পেনশনভোগী। তাঁদের বেতন ও পেনশনে ৩০-৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

সব খবর মোবাইলে পেতে 👉🏻

Join Now

২০১৬ সালে সপ্তম বেতন কমিশনের পর এবারই প্রথম এত বড় পরিসরে এই বৃদ্ধির কথা ভাবা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সপ্তম বেতন কমিশনে মাত্র ১৪ শতাংশ বেতনবৃদ্ধি হয়েছিল, যা আগের বেতন কমিশনের তুলনায় ছিল ন্যূনতম। এবার সরকার চায় বেতন কাঠামোকে বেসরকারি ক্ষেত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে।

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর: কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বেতন নির্ধারণের একটি মূল গাণিতিক সূচক। এটি মূল বেতনের সঙ্গে গুণ করে নতুন বেতন নির্ধারণ করে। সপ্তম বেতন কমিশনে এই ফ্যাক্টর ছিল ২.৫৭। তার ফলে ৭,০০০ টাকার মূল বেতন বেড়ে হয়েছিল ১৮,০০০ টাকা। অষ্টম কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ১.৮৩ থেকে ২.৪৬-এর মধ্যে হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। যদি তা হয়, তাহলে কেন্দ্রীয় কর্মচারীদের বেতনে বড়সড় লাফ দেখা যাবে।

কে কে পাবেন এই সুবিধা?

এই কমিশনের আওতায় আসবেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রায় ৪৪ লক্ষ কর্মচারী এবং ৬৮ লক্ষ পেনশনভোগী। শুধু মূল বেতন নয়, ডিএ (মহার্ঘ ভাতা), এইচআরএ (বাড়িভাড়া ভাতা), টিএ (ভ্রমণ ভাতা) ইত্যাদিও পর্যালোচনার মধ্যে আসবে।

পেনশনভোগীদের জন্য কী বার্তা?

যদিও পেনশনভোগীরা এইচআরএ বা টিএ পান না, তবে মূল বেতন ও ডিএ অনুযায়ী তাঁদের পেনশনে বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে। এছাড়াও ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ইউনিফাইড পেনশন স্কিম অনুযায়ী, অবসর-পরবর্তী আয় হিসেবে মূল বেতনের অন্তত ৫০% নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিলম্বের আশঙ্কা কি সত্যিই রয়েছে?

যদিও কমিশনের ঘোষণা করা হয়েছে, তবে এখনো পর্যন্ত চেয়ারম্যান, সদস্য বা কার্যপরিধি (ToR) ঠিক হয়নি। এর ফলে কমিশনের কাজ শুরু হতে দেরি হতে পারে। তা ছাড়া, এই রিপোর্ট চূড়ান্ত হতে এবং সরকারের অনুমোদন পেতে সময় লাগবে। যদি বিলম্ব হয়, তাহলে ২০২৬-এর পরিবর্তে ২০২৭ সালে বাড়তি বেতন ও বকেয়া পাওয়া যেতে পারে।

পাঠকদের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর:

১. অষ্টম বেতন কমিশন কবে থেকে কার্যকর হতে পারে?
সম্ভাব্য সময়সীমা ২০২৬ সালের জানুয়ারি।

২. ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর কী এবং এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এটি একটি গুণক, যার মাধ্যমে মূল বেতনের ভিত্তিতে নতুন বেতন নির্ধারণ করা হয়।

৩. বেতন কত শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে?
অনুমান অনুযায়ী, ৩০-৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি হতে পারে।

৪. কাদের কাদের উপর এই কমিশনের প্রভাব পড়বে?
প্রায় ৪৪ লক্ষ কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং ৬৮ লক্ষ পেনশনভোগী এর আওতায় আসবেন।

৫. এই কমিশনের কাজ শুরু হতে দেরি কেন হচ্ছে?
কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা এখনও নিযুক্ত হননি এবং ToR স্থির হয়নি।

About Author