‘বারাণসীতে দাঁড়ালে তো ‘হর হর মহাদেব’ শুনতে হবে, তখন আপনার কি হবে’, মমতাকে কটাক্ষ মোদীর

নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরো একটি আসনে দিদি প্রতিদ্বন্দিতা করবেন বলে বলেছিলেন মোদি। এই কারণে তৃণমূল জানিয়েছিল লোকসভায় মোদির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মমতা বারানসি কেন্দ্রে

Advertisement

Advertisement

দিন কয়েক আগে তৃণমূল নেত্রী মহুয়া মৈত্র দাবি করেছিলেন আগামী নির্বাচনে বারানসি কেন্দ্রে মোদি বনাম মমতা হবে। এবারে সেই মন্তব্য কে টেনে এনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নরেন্দ্র মোদী বললেন, “মমতা ব্যানার্জি শুধুমাত্র জয় শ্রীরাম শুনেই বিব্রত হয়ে যান। তিনি যদি বারাণসীতে দাড়ান তাহলে তাকে তো হর হর মহাদেব শুনতে হবে। তিনি কি এটা শুনতে পারবেন?”সোনারপুরে জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একহাত নিলেন মমতাকে।

Advertisement

তিনি আরো বললেন, “বাংলার মানুষ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। টাকা মারা কম্পানি মানে টিএমসি কে নবান্ন ছেড়ে চলে যেতে হবে। এখনো কয়েকজন বুদ্ধিমান ব্যক্তি রয়েছেন, দিদির নন্দীগ্রামে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করছেন। তারা ভুলবশত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। আমি তো এটাও জানতে পেরেছি, নন্দীগ্রামে পরাজয়ের আশঙ্কায় আরেকটি আসনে প্রার্থী হওয়ার জন্য দিদিকে পরামর্শ দিয়েছিল বেশ কয়েকজন।”

Advertisement

প্রশান্ত কিশোর কে একহাত নিয়ে মোদি বললেন, “অনেকে আবার বললেন, যদি আরেক টি আসনে প্রার্থী হন মমতা তাহলে সেটা হবে আরও বড় ভুল। বাংলায় দুটি আসনে হারলে আগামী দিনে অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ। সঠিক পরামর্শ দেওয়ার থেকে ভুল উপদেষ্টাদের প্রাধান্য দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিদি এবং দিদির স্কুটি কে নন্দীগ্রামে পাঠিয়েছেন তারাই। বাংলা থেকে দিদিদের টিকিট সাফ করে দেওয়া নিশ্চিত করে দিয়েছেন তারা। এরা দিদির হিতৈষী নয়, বরং তারা দিদির অনিষ্টকারী।”

Advertisement

এছাড়াও দিদি আরো একটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তার জন্য তৃণমূলের তরফ থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল লোকসভা ভোটে তিনি বারানসি কেন্দ্রে লড়বেন। সেই কথা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বললেন, “হলদিয়া থেকে বারানসি পর্যন্ত জনপদ চালু করেছে আমার সরকার। দিদি আপনাকে বলতে চাই, দিদি আমার বারানসির লোক, কাশির লোক এবং ইউপির লোক অত্যন্ত ভালো। আপনাকে বহিরাগত বলবেন না। তবে এটা ঠিক, ওখানে তিলক এবং টিকিধারী বহু মানুষ পাবেন। সেখানে দুই মিনিট অন্তর অন্তর হর হর মহাদেব শুনতে হবে। আপনি জয় শ্রীরাম আওয়াজে অতিষ্ঠ হয়ে যান। ওখানে কি আপনার কি হবে! বেনারসের মানুষের উপর রাগ করবেন না। আমাকে এতো ভালোবাসা দিয়েছে, আপনাকেও স্নেহ করবে।”