মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির অক্সফোর্ড বিতর্ক সভা বাতিল হওয়ার জন্য ক্ষমা চেয়ে এবার মেইল পাঠালেন অক্সফোর্ড ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট। বুধবার, নবান্ন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়াল ভাবে এই সভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু শেষ মুহূর্তে, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায় যে এই সভা করা সম্ভব হচ্ছে না। এর পরেই অক্সফোর্ড ইউনিয়নের তরফে ইমেইল করে ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি তার ইমেইলে লিখেছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এই কারণে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।
রাজ্যের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি গৌতম সান্যালকে দীর্ঘ ২ পাতার মেইল লিখে পাঠিয়েছেন অক্সফোর্ড ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট বিট্রিশ বার। ইমেইলে তিনি লিখেছেন, ” আজকের বিতর্ক সভা পরিকল্পনা মতো না হওয়ার কারণে আমি আপনাকে মেইল করছি। এটা অবিশ্বাস্য ভাবে দুর্ভাগ্যজনক। এবং এই বিতর্ক সভা বাতিল হওয়ার কারণে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। অনেক দেশ আমাদের আজকের এই সভার প্রতীক্ষাতে ছিল। দর্শকরা আমাদের অসংখ্য প্রশ্ন পাঠিয়েছে। আমরা সকলে একসঙ্গে এই সবার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। কিন্তু কখনো কখনো এরকম হয়। এই বক্তব্য লিখে তিনি ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন সকলের কাছে।
অপরদিকে, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, ” আমি আশা করি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।”চিঠির শেষে তিনি আরো একবার আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী বলে জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে বিতর্ক সভায় স্বাগত জানাতে পেরে গর্বিত অক্সফোর্ড ইউনিয়ন।
প্রসঙ্গত, এই বছরের জুলাই মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই সভার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। করণা ভাইরাসের কারণে এই সভা ভার্চুয়াল ভাবে হবার কথা ছিল। মমতা ব্যানার্জি এতে সম্মতি জানিয়ে ছিলেন। এই বিতর্ক সভাতে একাধিক শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের উত্তর দিতে দেখা যেত মমতা ব্যানার্জিকে। সূত্রের খবর, অক্সফোর্ডের শিক্ষার্থীরা তার জন্য অনেক প্রশ্ন তৈরি করে রেখেছিলেন। জানা গিয়েছে প্রায় ৬০০ প্রশ্ন জমা পড়েছিল। তার মধ্যে থেকে তিনি নির্বাচিত কিছু প্রশ্নের জবাব দিতেন এই সভায়। কন্যাশ্রী, রুপশ্রী, কৃষক বন্ধু, দুয়ারে বাংলা সহ একাধিক প্রকল্পের ব্যাপারে তিনি জানাতেন অক্সফোর্ডে পড়ুয়াদের কাছে।














