জীবনযাপনসৌন্দর্য

Skin Care Tips: দরকার নেই দামি ফেস ওয়াশের, এই জিনিস দিয়ে করুন নিজের মুখ পরিষ্কার

×
Advertisement

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ব্যাস্ততাও বৃদ্ধি হয়। রোজ কাজে যাওয়া, ঘরের কাজ করা এর মাঝে নিজের জন্যে আর সময় থাকেই না। এত কিছুর মাঝে যে আমাদের ত্বকের যত্নের দরকার তা ভাববার সময়ও হয় না। কিন্তু এর ফলে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়, এবং ব্রণ, পিম্প্ল হতে শুরু করে।

Advertisement

নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার না রাখলে পিম্পল, হোয়াইটহেডস এবং অন্যান্য সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে আমরা যদি দীর্ঘদিন ত্বকে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করি, তাহলে ত্বক খারাপ হতে শুরু করে। তাই চেষ্টা করা উচিত যে শুধুমাত্র প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করে ত্বক পরিষ্কার রাখার, যাতে ত্বক সুস্থ থাকে। আপনি কি আপনার মুখ পরিষ্কার করতে বাজারে পাওয়া পণ্য ব্যবহার করেন? কখনও কখনও এই জিনিসগুলি খুব ব্যয়বহুল হয়ে থাকে, যা আমাদের সাংসারিক বাজেটকে প্রভাবিত করে। এমন পরিস্থিতিতে আপনি প্রাকৃতিক জিনিসের সাহায্যে আপনার ত্বক পরিষ্কার করতে পারেন।

ক) আয়ুর্বেদে যখনি পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল ত্বকের কথা আসে, সকল সময়ই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞেরা। এই তেওকের যত্নের জন্য বেসনকে উপকারী মনে করা হয়। বছরের পর বছর ধরে, খাবার তৈরি থেকে ত্বকের যত্নের জন্য বেসন ব্যাবহৃত হয়ে আসছে। আপনি কি আপনার মুখ পরিষ্কার করতে বাজারে পাওয়া কেমিক্যাল ভিত্তিক ফেসওয়াশ ব্যবহার করেন।

Advertisement

এই ত্বকের যত্নের উপকরণটির জন্যে প্রয়োজনীয় উপাদান হল:-
২ চা চামচ বেসন
১ চা চামচ দই

এই উপকরণটি কি করে তৈরি করতে হয়:-
প্রথমে একটি পাত্রে ১ চা চামচ দই এর সাথে ২ চা চামচ বেসন যোগ করে ফেটিয়ে নিন ভালো করে।
খেয়াল রাখবেন এই পেস্ট যেন বেশি ঘন না হয়, কারণ এটি শুকিয়ে গেলে শক্ত হয়ে যাবে। এই ঘরে তৈরি করুন আপনার ত্বকের জন্যে বেসন ক্লিনজার। আপনি সকালে বা সন্ধ্যায় যখনই আপনার মুখ পরিষ্কার করবেন তখন আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যাবহার করতে পেস্টটি অল্প করে হতে নিয়ে মুখে, ঘাড়ে লাগান ও হালকা হাতে ম্যাসেজ করুন, এবং ১৫ মিনিট রেখে দিন। বেসনের উপকরণটি শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

বেসন প্রয়োগের উপকারিতা:-
১) বেসন ত্বকে লাগালে শুধু ত্বক পরিষ্কার হবে না আপনার মুখেও উজ্জ্বলতা আসবে।

২) মুখের অস্বাভাবিক বেশি লোম থাকলে এটি ব্যাবহার করুন। বেসন ত্বকে লাগালে মুখ থেকে লোম উঠাতে সাহায্য হয়।

৩) নিজের ত্বককে তরুণ কতার জন্যও বেসন ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি ত্বকে মসৃণ ও কোমল রাখতে সাহায্য করে।

খ) দইয়ের উপকারিতা:-

দুধের মতনই দই খুব পুষ্টিকর, স্বাস্থ্যের সাথে সাথে ত্বকের জন্যও। এটি পেট ঠান্ডা রাখার জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। একইভাবে চুল ও ত্বক উভয় ক্ষেত্রেই দই ব্যবহার করা হয়। মুখ পরিষ্কারের জন্য ফেস ওয়াশের পরিবর্তে দই ব্যবহার করতে পারেন।

দইয়ের উপকরন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান:-
১ চা চামচ দই
এক চিমটি হলুদ

তৈরির পদ্ধতি ও ব্যাবহারের পদ্ধতি:-
একটি ছোট পাত্রে, ১ চা চামচ দইয়ের সাথে এক চিমটি হলুদ যোগ করুন। এবার ভালো করে মিশিয়ে নিন। আপনার দইয়ের তৈরি ফেস ক্লিনজার প্রস্তুত।
এই ফেসওয়াশ ব্যাবহার করতে প্রথমে জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। এবার দই দিয়ে তৈরি এই ক্লিনজারটি ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ শুকানোর পর অর্থাৎ অন্তত ১৫ মিনিট পর মুখ পরিষ্কার করুন। ঠান্ডা জম দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন।

আসুন জানি আমরা দইয়ের কি কি উপকারিতা আছে:

১) সূর্যালোকের এক্সপোজার ট্যানিং ঘটায়। এমন পরিস্থিতিতে ট্যানিং দূর করতেও দই ব্যবহার করতে পারেন।

২) ফাইন লাইনের সমস্যায়ও দই উপকারী। এটি কমাতে দয় খুব সাহায্য করে।

৩) ব্রণের দাগ কমাতে ত্বকে দই লাগান।

৪) হাইপারপিগমেন্টেশনের জন্যও দই ব্যবহার করুন। এটি ব্যবহার করলে এই সমস্যা কমবে।

Related Articles

Back to top button